
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতির কার্যালয়ে ‘লিগ্যাল অফিসার’ হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ব্যারিস্টার জাইমা রহমান। তিনি সাধারণ পরিষদের সভাপতি ড. খলিলুর রহমানের কার্যালয়ে আইনসংক্রান্ত বিষয়গুলো দেখভাল করবেন।
সভাপতির কার্যালয়ে বিভিন্ন দায়িত্বে মোট ৪০ জন কর্মকর্তা রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে জাইমা রহমানসহ ছয়জন বাংলাদেশি কর্মকর্তা রয়েছেন। অন্যদের মধ্যে রয়েছেন ডেপুটি চিফ অব ক্যাবিনেট, উপদেষ্টা ও প্রশাসনিক সহকারী, তথ্য ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাবিষয়ক জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা এবং টেকসই উন্নয়ন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা।
জাইমা রহমানের কাজ কী?
জাতিসংঘ কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, লিগ্যাল অফিসার হিসেবে জাইমা রহমানের প্রধান দায়িত্ব হবে সভাপতির কার্যালয়ের আইনি বিষয়গুলো দেখভাল করা। তাঁর আইন বিষয়ে একাডেমিক ও পেশাগত অভিজ্ঞতাও রয়েছে। তিনি লন্ডনের কুইন মেরি বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন বিষয়ে পড়াশোনা করেন এবং পরে ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে ব্যারিস্টার হিসেবে যোগ্যতা অর্জন করেন। ২০২৬ সালের জুনে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের আইনজীবী তালিকাভুক্তির প্রথম ধাপের পরীক্ষাতেও তিনি উত্তীর্ণ হন।
বেতন কত?
জাইমা রহমানের নির্দিষ্ট বেতন বা পারিশ্রমিকের অঙ্ক প্রকাশ্যে পাওয়া যাচ্ছে না। তাই তাঁর মাসিক বা বার্ষিক বেতন হিসেবে কোনো নির্দিষ্ট অর্থ উল্লেখ করা নির্ভরযোগ্য হবে না।
এখানে একটি বিষয় পরিষ্কার করা জরুরি—জাইমা রহমান সাধারণ পরিষদের সভাপতি নন; তিনি সভাপতির কার্যালয়ের লিগ্যাল অফিসার। সাধারণ পরিষদের সভাপতি নিজে জাতিসংঘের নিয়মিত কর্মী নন এবং জাতিসংঘ থেকে নিয়মিত বেতন পান না। সভাপতির বেতন-ভাতা, আবাসন ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট ব্যয়ের বড় অংশ সাধারণত নিজ দেশ বা সরকার বহন করে; কিছু ক্ষেত্রে জাতিসংঘের বাজেট বা ট্রাস্ট ফান্ড থেকেও ব্যয় নির্বাহ করা হয়।
অতএব, জাইমা রহমানের ক্ষেত্রে ‘জাতিসংঘের বেতন’ হিসেবে নির্দিষ্ট কোনো অঙ্ক নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না। তাঁর নিয়োগটি মূলত সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতির কার্যালয়ে আইনসংক্রান্ত দায়িত্ব পালনের সঙ্গে সম্পর্কিত।







































































